বিশ্বের অন্যতম সেরা একটি জনপ্রিয় সবজি হল আলু। খাদ্য ও পুষ্টিমানে এই আলুর ভূমিকা অপরিসীম। যদিও আলু বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য নয়, তবুও বিগত বছরে আলুর ব্যাপক ফলন ও ব্যবহার বৃদ্ধির কারণে আলু চাষের বিস্তৃতি ঘটেছে। আলু বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু রোগ রয়েছে। যা নিয়ে আজকে আলোচনা করা হয়েছে।
১. আলুর আগাম ধ্বসা রোগ (early blight of potato)
Alternaria solani নামক ছত্রাকের আক্রমণে এই রোগ সংক্রমণ হয়। আলুর টিউবার,পাতা ও কান্ড আক্রান্ত হয়ে থাকে। আক্রান্ত গাছের পাতায় কিছু কিছু স্থানে বৃত্তাকার অথবা ষাঁড়ের চোখের মত দেখতে দাগ সৃষ্টি হয়। দাগগুলো কালো বা বাদামি রঙের হয়ে থাকে। আক্রান্ত গাছের কান্ডতেও এধরনের দাগ সৃষ্টি হয়। বয়স্ক পাতায় এই লক্ষণ প্রথমে দেখা যায়। রোগের ফলে আলুর আকৃতি ছোট হয়ে যায়। ফলন কমে যায়।

আলুর আগাম ধ্বসায় আক্রান্ত পাতা
প্রতিকার
- সঠিক পরিমাণে সার প্রয়োগ।
- সময়মত সেচ প্রদান।
- পাতায় দাগ দেখা দিলে ১ লিটার পানিতে ২ গ্রাম Mencozeb বা Iprodione গ্রুপের ছত্রাকনাশক ব্যবহার করতে হবে।

আগাম ধ্বসায় আক্রান্ত টিউবার
২. আলুর বিলম্বিত/নাবি ধ্বসা রোগ (LATE BLIGHT OF POTATO)
Phytophthora infestens ছত্রাক এ রোগের জন্য দায়ী। আক্রান্ত গাছের পাতায় বা কান্ডে কালো ও পানি শোষণকারী ফোস্কা সৃষ্টি হয়।এ ফোস্কা গুলোতে সাদা স্পোর দেখতে পাওয়া যায় যা বাতাস বা পানির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। মহামারী আকার ধারণ করলে সব ফসল নষ্ট হয়ে যায়।

আলুর বিল্মবিত/নাবি ধ্বসায় আক্রান্ত পাতা
প্রতিকার
- রোগমুক্ত বীজ বপন।
- বীজ শোধনের জন্য Carbendazim 50WP ১লিটার পানিতে ৩ গ্রাম মিশিয়ে ১ কেজি বীজে ব্যবহার করতে হবে।
- আক্রান্ত গাছ কেটে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
- Mencozeb ৪গ্রাম/লিটার কিংবা Carbendazim 50WP ২ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

বিলম্বিত/নাবি ধ্বসায় আক্রান্ত টিউবার
৩. আলুর মূল জটা রোগ (ROOT KNOT OF POTATO)
আলুর টিউবারে যদি অক্সিজেনের স্বল্পতা, অতিরিক্ত কার্বন ডাই অক্সাইড থাকে এবং অত্যাধিক তাপমাত্রা বিরাজ করলে আলুর মাঝখানে কিছু অংশ কালো হয়ে যায়। সাধারণত ফসল উত্তোলন হতে গুদামে সংরক্ষণের সময়ে এই রোগ দেখা দেয়। অনেক আলু একসাথে রাখলেও এ রোগ হয়।

মূল জটা রোগে আক্রান্ত আলু
প্রতিকার
- তাপমাত্রা ৩০° সেলসিয়াসের মধ্যে আলু সংরক্ষণ করুন।
- গুদামে সঠিকভাবে বাতাস চলাচল হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
.
৪. আলুর অন্তর ফাঁপা রোগ (HOLLOW HEART OF POTATO)
অতিপরিমানে সেচ, মাত্রাতিরিক্ত নাইট্রোজেন সারের ব্যবহার হলে এবং তাপমাত্রা ঘনঘন পরিবর্তনের ফলে এ রোগ দেখা দেয়। এ রোগ আলুর টিউবারের কেন্দ্রে আঁকাবাঁকা অনিয়ত আকৃতির ফাঁপা অংশ সৃষ্টি করে।
আলুর বীজ সঠিক সময়ের পূর্বে বপনের ফলে এ রোগ হয়।

আলুর অন্তর ফাপা রোগ
প্রতিকার
- সঠিক সময়ে বীজ বপন।
- পরিমিত পরিমাণে সেচ প্রদান ও সার প্রয়োগ।
- দূরত্ব বজায় রাখে বীজ বপন।
৫. আলুর পাতা মোড়ানো রোগ (POTATO LEAF ROLL)
এটি Potato Leaf Roll Virus(PLRV) দ্বারা সংঘটিত হয়।এফিড জাতীয় পোকার আক্রমণে এই রোগ ছড়ায়।টিউবারের ভাস্কুলার টিস্যু ধ্বংস করে ফেলা।এটি টিউবারে Net necrosis তৈরি করে অর্থাৎ টিউবারে মৃত কোষ তৈরি করে।এ রোগের ফলে ৫০%-৮০% ফলন কমে যায়।

আলুর পাতা মোড়ানো রোগ
প্রতিকার
- পোকা দমনে হলুদ আঠালো ফাঁদ ব্যবহার করতে হবে।
- নিম তেল ৫ মিলিগ্রাম/লিটার পানি+৫ গ্রাম ডিটারজেন্ট বা সাবানের গুঁড়া মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।
- সুস্থ সবল গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করুন।
- Imidacloprid গ্রুপের ওষুধ ০.৫ মিলিলিটার/লিটার পানিতে বা Thiamethozam গ্রুপের ওষুধ ০.২ গ্রাম/লিটার পানিতে কিংবা Melathion গ্রুপের ওষুধ ২ মিলিগ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে ৭ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।
গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ নিয়ে পড়ুন এখানে।
৬. আলুর স্কাব (SCAB OF POTATO)
Streptomyces scabies ব্যকটেরিয়ার দ্বারা এরোগ হয়। ক্ষার জাতীয় মাটিতে এই অনুজীব বেশি বেঁচে থাকতে পারে। আক্রান্ত টিউবার, বাতাস,পানির সাথে এ রোগ ছড়ায়।এটি আলুর চামড়ায় এবড়োখেবড়ো ফোস্কা তৈরি করে(Cork like lesion)

আলুর স্ক্যাব
প্রতিকার
- রোগমুক্ত বীজ বপন।
- মাটির PH ৫.২ বা তার নিচে রাখতে হবে।
- অন্যান্য ফসল দ্বারা জমিতে কর্ষন করা যায়। যেমন: সরিষা,ক্যানোলা ইত্যাদি।
- পরিমিত পরিমাণে সেচ প্রদান।
৭. আলুর সুতালি পোকা
আলুর সুতালি পোকার মথ ছোট আকারের ও ধূসর বাদামী বর্ণের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক।কীড়া আলুতে ফুটো করে ও এর মধ্যে লম্বা সুরঙ্গ তৈরি করে।
প্রতিকার
- সংরক্ষণের সময়ে আলুর শুকনা বালু,ছাই,তুষ দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে।
- নিমপাতা ব্যবহার করতে হবে।
- আক্রান্ত আলু ফেলে দিন।
- ১ টন বালু+১ কেজি সেভিন(১০%)+১.৫ টন আলু রাখুন।
৮.আলুর নরম পঁচা রোগ (SOFT ROT OF POTATO)
Erwinia caratovora নামক ব্যকটেরিয়া দ্বারা এ রোগ হয়।আলুর টিউবারে ক্ষত সৃষ্টি করে। আক্রান্ত অংশের কোষ পচে যায়।ফলে বাজে গন্ধ সৃষ্টি করে।আলুতে চাপ দিলে পানি বের হয়। আক্রান্ত অংশ নরম ও ঘিয়ে রঙের হয়ে থাকে।

আলুর নরম পঁচা রোগ
প্রতিকার
- রোগমুক্ত বীজ বপন।
- পরিমিত সেচ প্রদান।
- আগাম আলু চাষ।
- টিউবার শোধনে ১% ব্লিচিং পাউডার বা৩% বরিক এসিড দ্রবণ ব্যবহার করতে হবে।
৯. আলুর শুকনো পঁচা রোগ (DRY ROT OF POTATO)
Fusarium sp. ছত্রাক দ্বারা এ রোগ সংঘটিত হয়। এতে টিউবারের চামড়া কুঁচকে যায়। আক্রান্ত স্থান পচে যায় ও বাদামী/ঘিয়ে/কালো রঙের দাগ দেখা যায়।বীজ পুরোপুরি পচে যায়।টিউবারের ভিতরে গর্ত সৃষ্টি হয়ে যায়।পচে যাওয়া স্থান প্রথমে ভেজা থাকলেও পরবর্তীতে শুকিয়ে শক্ত হয়ে যায়। আক্রান্ত অংশে ছত্রাকের জাল ও গোলাকার ভাঁজ থাকে।

আলুর শুকনো পঁচা রোগ
প্রতিকার
- রোগাক্রান্ত আলু ফেলে দিতে হবে।
- বীজ শোধন করতে Dithane M45 ০.২% ব্যবহার করতে হবে।
- গুদামজাত,বস্তা ও ঝুড়িতে রাখা আলু ৫% ফরমালিন দ্বারা শোধন করতে হবে।
আলুর লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগ ও তার প্রতিকার
আলুর লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগ বিশ্বজুড়ে অন্যতম একটি ক্ষতিকারক রোগ। এ রোগ বাংলাদেশের আলু উৎপাদনের প্রধান অন্তরায়। ১৯৯০ সালের পর থেকে বাংলাদেশে আলুর চাষাবাদ বিস্তারের পাশাপাশি এ রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়তে থাকে। বাংলাদেশে প্রতিবছর এ রোগের আক্রমণে আলুর ফলন গড়ে শতকরা ৩০ ভাগ হ্রাস পায়। মড়ক রোগের আক্রমণে ক্ষতির পরিমাণ আলুর জাত, গাছের বয়স, রোগ আক্রমণের সময় ও আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করে। প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে এ রোগের আক্রমণে আলুর ফলন সম্পূর্ণভাবে বিনষ্ট হতে পারে।
মড়ক রোগ চেনার উপায়: এ রোগের আক্রমণে প্রথমে গাছের গোড়ার দিকের পাতায় ছোপ ছোপ ভেজা হালকা সবুজ গোলাকার বা বিভিন্ন আকারের দাগ দেখা যায়, যা দ্রুত কালো রং ধারণ করে এবং পাতা পচে যায়। সকাল বেলা মাঠে গেলে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাউডারের মত জীবাণু দেখা যায়। ঠাণ্ডা ও কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় আক্রান্ত গাছ দ্রুত পচে যায়। এই অবস্থায় ২-৩ দিনের মধ্যেই ক্ষেতের সমস্ত গাছ মরে যেতে পারে। এ রোগে আক্রান্ত আলুর গায়ে বাদামি থেকে কালচে দাগ পড়ে এবং খাবার অযোগ্য হয়ে যায়।
রোগ বিস্তারে অনুকূল আবহাওয়া: নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাসের (মধ্য কার্তিক থেকে মধ্য ফাল্গুন) যে কোন সময় নিম্ন তাপমাত্রা (রাতে ১০-১৬ ডিগ্রি এবং দিনে ১৬-২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস) এবং কুয়াশাচ্ছন্ন আর্দ্র আবহাওয়া (আর্দ্রতা ৯০% এর বেশি) এ রোগ বিস্তারের জন্য অনুকূল। কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়ার সাথে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হলে এ রোগ ২-৩ দিনের মধ্যে মহামারী আকার ধারণ করে। বাতাস, বৃষ্টিপাত ও সেচের পানির সাহায্যে এ রোগের জীবাণু আক্রান্ত গাছ থেকে সুস্থ গাছে দ্রুত বিস্তার লাভ করে।
লেইট ব্লাইট বা মড়ক রোগ নিয়ন্ত্রণের উপায়:
রোগ হওয়ার পূর্বে করণীয়:
- আগাম আলু চাষ অর্থাৎ ১৫ নভেম্বরের মধ্যে আলু রোপণ অথবা আগাম জাত চাষের মাধ্যমে এ রোগের মাত্রা অনেকটা কমানো সম্ভব। রোগ সহনশীল জাত যেমন: বারি আলু-৪৬, বারি আলু-৫৩, বারি আলু-৭৭ ইত্যাদি চাষ করা যেতে পারে। এছাড়া রোগমুক্ত প্রত্যায়িত বীজ অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে।
- আলুর মৌসুমে নিয়মিত মাঠ পরিদর্শন করতে হবে।
- আলুর সারি হতে সারির দূরত্ব ৬০ সেন্টিমিটার এবং প্রতি সারিতে আলু হতে আলুর দূরত্ব আস্ত বীজ আলুর ক্ষেত্রে ২৫ সেন্টিমিটার আর কাটা আলুর ক্ষেত্রে ১৫ সেন্টিমিটার অনুসরণ করতে হবে। আলুর সারিতে ভালভাবে মাটি উঁচু করে দিতে হবে। সেচের পর আলু গাছের গোড়ার মাটি সরে গেলে তা মাটি দিয়ে পুনরায় ঢেকে দিতে হবে।
- নিম্ন তাপমাত্রা, কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া ও বৃষ্টির পূর্বাভাস পাওয়ার সাথে সাথে রোগ প্রতিরোধের জন্য ৭-১০ দিন অন্তর ম্যানকোজেব গ্রুপের অনুমোদিত ছত্রাকনাশক যেমন- ডাইথেন এম-৪৫, ইন্ডোফিল এম-৪৫ বা পেনকোজেব ৮০ ডব্লিউপি প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করে গাছ ভালভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।
রোগ হওয়ার পর করণীয়:
- আক্রান্ত জমিতে রোগ নিয়ন্ত্রণ না হওয়া পর্যন্ত সেচ প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।
- নিজের বা পার্শ্ববর্তী ক্ষেতে রোগ দেখা মাত্রই ৭ দিন অন্তর নিম্নের যে কোন একটি গ্রুপের অনুমোদিত ছত্রাকনাশক পর্যায়ক্রমিকভাবে নিম্নবর্ণিত হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করে গাছ ভালভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে। যেমন-
এক্রোবেট এম জেড (ম্যানকোজেব ৬০% + ডাইমেথোমর্ফ ৯%)- ২ গ্রাম অথবা
সিকিউর ৬০০ ডব্লিউজি (ম্যানকোজেব ৫০% + ফেনামিডন ১০%)- ২ গ্রাম অথবা
মেলোডি ডুও ৬৬.৮ ডব্লিউপি ( প্রোপিনেব ৭০ % + ইপ্রোভেলিকার্ব)- ২ গ্রাম অথবা
জ্যামপ্রো ডি এম (এমেটোকট্রাডিন ৩০% + ডাইমেথোমর্ফ ২২.৫%)- ২ মিলি অথবা
কার্জেট এম ৮ (ম্যানকোজেব ৬৪% + সাইমোক্সানিল ৮%)- ২ গ্রাম অথবা
ফুলিমেইন ৬০ ডব্লিউপি (ফ্লুমর্ফ ১০% + ম্যানকোজেব ৫০%)- ২ গ্রাম।
- যদি কুয়াশাচ্ছন্ন আবহাওয়া দীর্ঘ সময় বিরাজ করে ও রোগের মাত্রা ব্যাপক হয় সেক্ষেত্রে নিম্নোক্ত ছত্রাকনাশকের যে কোন একটি মিশ্রণ পর্যায়ক্রমিকভাবে নিম্ববর্ণিত হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ৫ দিন অন্তর স্প্রে করে গাছ ভালভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।
এক্রোবেট এম জেড ৪ গ্রাম + সিকিউর ৬০০ ডব্লিউজি ১ গ্রাম অথবা
এক্রোবেট এম জেড ৪ গ্রাম + মেলোডি ডুও ৬৬.৮ ডব্লিউপি ১ গ্রাম অথবা
ফুলিমেইন ৬০ ডব্লিউপি ৪ গ্রাম + অটোস্টিন ৫০ ডব্লিউডিজি (কার্বেনডাজিম ৫০%) ১ গ্রাম অথবা
মেলোডি ডুও ৬৬.৮ ডব্লিউপি ৪ গ্রাম + সিকিউর ৬০০ ডব্লিউজি ১ গ্রাম।
- রোগের প্রাদুর্ভাব খুব বেশি হলে ৩-৪ দিন অন্তর ছত্রাকনাশকের মিশ্রণ স্প্রে করতে হবে।
- ছত্রাকনাশক পাতার উপরে ও নিচে ভালভাবে স্প্রে করতে হবে।
- সাধারণ স্প্রেয়ারের পরিবর্তে পাওয়ার স্প্রেয়ার ব্যবহার করলে ভাল ফল পাওয়া যায়।
সতর্কতা: গাছ ভেজা অবস্থায় জমিতে ছত্রাকনাশক স্প্রে না করাই ভাল। আর যদি স্প্রে করতেই হয় তাহলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম হারে সাবানের গুড়া মিশিয়ে নিতে হবে। ছত্রাকনাশক স্প্রে করার সময় হাত মোজা, সানগ্লাস, মাস্ক ও এপ্রোন ব্যবহার করতে হবে। সবসময় বাতাসের অনুকূলে স্প্রে করতে হবে।